দখল সংক্রান্ত মামলা

এডভোকেট মোঃ সাইফুল ইসলাম সোহেল
বাংলাদেশের সব আদালতে যতো মামলা হয় তার ৮৫% হল দেওয়ানি মোকদ্দমা প্রশ্ন হল দেওয়ানি মোকদ্দমা কোন ক্ষেত্রে হবে জেনে রাখা দরকার যে দেওয়ানি মামলা ৩টিই বিষয় নিয়ে হয়ে থাকে
১.সম্পত্তি
২.পদবী
৩.অধিকার
দেওয়ানি মোকদ্দমার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হল দখল, মালিকানা আর পারিবারিক মোকদ্দমা,ঘোষনামুলক মোকদ্দমা সেজন্য প্রথমেই দখল মালিকানা সম্পর্কে ধারনা থাকা দরকার দখল-দখল বলতে কোনো ব্যাক্তির সাথে কোনো সম্পত্তির এরূপ সম্পর্ক বুঝায়,যে তাহার সম্পর্কযুক্ত সম্পত্তি হইতে অন্যকে বহিষ্কার করতে পারে।
দখল বিভিন্ন প্রকার হতে পারে
১.জবর দখল
২.উপ দখল
৩.তথ্যগত দখল
৪:আইনগত দখল
৫:প্রত্যক্ষ দখল
৬.পরোক্ষ দখল
৭.যৌথ দখল, ইত্যাদি
দখল সংক্রান্ত মামলা হয় সাধারণত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ধারায় এবং ৯ ধারায় কোনো ব্যাক্তি যদি তার নিজ সম্পত্তি থেকে বেআইনি ভাবে দখলচূত হয় সেই ব্যাক্তির যদি সম্পত্তিতে মালিকানা নাও থাকে সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র ধারাবাহিক ভাবে ৬০ দিন দখলে থাকলে দখলচূত হওয়ার পরবর্তীতে ৬মাসের মধ্যে অ্যাডভেলোরাম কোর্ট ফি এর অর্ধেক দিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে সেক্ষেত্রে সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবেনা ৮ ধারা-যদি কোনো ব্যাক্তির নিজ মালিকানা সত্ত্ব থাকা অবস্থায় বেআইনি ভাবে দখলচূত হয় সেই ক্ষেত্রে মালিক চাইলে ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে মামলা করার তামাদি সময় ১২ বছর অ্যাডভেলোরেম কোর্ট ফি দিয়ে যেকোনো ব্যাক্তির (সরকার সহ) বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
লেখক ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী
এবং সাধারন সম্পাদক, LAW and LAWYERs,
প্রভাষক,মিলন ল' একাডেমি ,
প্রভাষক,বঙ্গবন্ধু ল কলেজ, ঢাকা।